মুর্শিদাবাদের এক অপরুপ ভাস্কর্য স্থাপত্য বারী কঠি বা প্রবীণদের মহল আপনাদের মুগ্ধ করবেই।

 

murshidabad,bari kothi,weekend destination
Image source-Instagram, Image by-barikothi

সপ্তাহ শেষে ঘুরে আসতেই পারেন নবাবদের দেশ মুর্শিদাবাদের এই অপরূপ ভার্স্কর্যে ভরা মহলটি থেকে।একদিনের জমিদার হতে আর জমিদারি কায়দায় এই মহলটি তে থাকতে বেশ ভালোই লাগবে আপনাদের,সুন্দর মনোরম পরিবেশে নৌকা বিলাস,মধ্যাহ্ন ভজন  থেকে শুরু করে বিকালের চা জল খাবার ,রাতের দারুন ভুরি ভোজ এর পর রাজকীয় পালঙ্কে রাত্রি যাপন সকালের জল খাবার সেরে বাড়ি ফিরতে পারেন।

বারী কোঠি যার মানে হলো "বড় " বা "প্রবীণদের মহল" এই হেরিটেজ মহলটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০০ সালের শেষের দিকটায় প্রায় চার একর জায়গায় এই মহলটি রয়েছে।রায় বাহাদুর বুধ সিং দুধরিয়া এই মহলটি নির্মাণ করেছিলেন। গ্রিক,রোমান ও ফ্রান্স স্থাপত্য  শিল্পের বিশাল নিদর্শন পাওয়া যায় এই পুরো মহলের মধ্যে।যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো শিষমহল,গ্রন্থাগার ,সংগীত ঘর,জানানাচৌক,দরবার হল,গদ্দি ঘর,হালওয়াই  খানা ইত্যাদি।

বিগত অর্ধেক শতাব্দীর ও বেশি সময় ধরে এই অঞ্চলের  অন্যান্ন  মহল গুলির মতো বারী  কোঠি মহলটি ও পরিত্যক্ত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়ে  ছিল। আজিমগঞ্জ ও মুর্শিদাবাদের  পতনের সময় কাল থেকে ওখানকার বিত্ত শালী পরিবার গুলি উন্নত সুযোগ সুবিধার জন্য কলকাতায় চলে  গেছিলেন।২০১৫ সালে এ কজন ক্যানাডিয়ান স্থাপত্য  শিল্পী এই  মহলটি  পুনরুদ্ধার করে নতুন করে নির্মাণ করেন। বর্তমানে এই মহলটি খুব ই  আকর্ষণীয় টুরিস্ট ডেস্টিনেশন হয় উঠছে।আপনি চাইলেই একদিনের জন্য নিজেকে জমিদার ভাবতেই পারেন।নৌকায় চা জল খাবার রাজকীয় ডাইনিং টেবিল  এ রাত্রির ভুরি ভোজ সুন্দর মনোরম পরিবেশে একটা দিন কাটিয়ে   আসতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ